x 
Empty Product
Tuesday, 20 March 2018 08:37

বান্দরবানের পাহাড়জুড়ে ‘রাংগুয়ে’ আম বিপ্লব

Written by 
Rate this item
(0 votes)

ছয় বছর আগে বান্দরবানের প্রত্যন্ত রেমাক্রির আদাপাড়ায় প্রথম দেখা মিলেছিল আমটির। তখন নাম জানা ছিল না। তবে ছোট গাছে লম্বা বোটায় ঝুলে থাকা থোকা থোকা আম নজর কেড়েছিল বেশ। তখন বাগান বলতে তেমন কিছু ছিল না। শুধু থানচি সদরে ছিল একটি বাগান। সেই একটি বাগানের সফলতায় পুরো বান্দরবানের পাহাড় এখন মিয়ানমারের আমের দখলে।

 

এবার গিয়ে জানা গেলো আমটির নাম রেংগুয়ে। পাহাড়ের ১শ থেকে আড়াই হাজার ফুট উচ্চতায় দেখা মেলে প্রচুর সংখ্যক আমের বাগান। আমের বাগানের বিস্তৃতি দেখে আগ্রহ বাড়লো। খোঁজ নিয়ে জানা গেলো প্রথম বাগানটি করেছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খামলাই ম্রো। ২০০৬ সালের দিকে তিনি প্রথম বাগান করেন। এখন শুধু থানচি উপজেলায় সাড়ে ৪শ হেক্টর এবং পুরো বান্দরবান ধরলে ২০ হাজার হেক্টরেরও বেশি জায়গাজুড়ে চাষ হচ্ছে উচ্চ ফলনশীল এ আমটি।

বাগানে ব্যাপক পরিমাণ মুকুলই বলে দেয় ফলন কেমন হবে। আমটি পাহাড়ের জন্য বিশেষ উপযোগী। মিয়ানমার থেকে প্রায় ৩০ বছর আগে দু’একটি চারা প্রথম আনা হয়। আলী কদম, রোয়ংছড়ির দিকে প্রথমে স্বল্পসংখ্যক বাণিজ্যিক চাষ করলেও থানচিতে প্রথম শুরু করেন খামলাই ম্রো। 

কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে আমার ছয় একরের একটি বাগান রয়েছে। শুরু করি ২০০৬ সালের দিকে। এবার বাগান আগে থেকে বিক্রি করে দিয়েছে সাড়ে ৫ লাখ টাকায়। গতবার একটু কম হলেও তার আগের বার বিক্রি করেছিলাম ৬ লাখ টাকা। ফলন বেশি বলে এ আম চাষ বেশ লাভজনক। তাছাড়া পরিচর্যা খরচও বেশি না।

প্রথম দিকে পাকা আম কেজিপ্রতি ১০-১২ টাকা বিক্রি হলেও এখন ২৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয় বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে কথা হয় থানচি উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে। তিনি বলেন, এর জাতটি এসেছে মিয়ানমার থেকে। আমাদের দেশীয় আমের চেয়ে এ আমের ফলন অনেক বেশি। তাই আমরা চাষিদের উদ্বুদ্ধ করছি। আরও একটি সুবিধা হলো

Read 892 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.